আমার সকালটা অসম্পূর্ণ থেকে যায় যদি আমি কমপক্ষে দৈনিক যুগান্তরের শিরোনামের ওপর চোখ না বুলাই। তারপর ট্রাফিক যানজটে বসে থাকতে হবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। তখন আমার মোবাইলে যুগান্তর পত্রিকার ডিজিটাল সংখ্যাটা পড়ি। যুগান্তর ছাড়া আমি আরও তিনটি ইংরেজি আর বাংলা দৈনিক পত্রিকা নিয়মিত পড়ি। কিন্তু যুগান্তরের স্বাধীন আর ভারসাম্যমূলক প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ, ওটা হোক না রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, অভ্যন্তরীণ অথবা আন্তর্জাতিক, আমাকে নিরপেক্ষভাবে বোঝা আর বিশ্লেষণ করার উপাদান জোগায়।
যেহেতু সাহিত্য নিয়ে আমার আগ্রহ আছে তাই আমি যুগান্তরের সাহিত্য পাতার অপেক্ষায় থাকি। তাদের সাহিত্য পাতাটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি অথবা কোনো বিশেষ অঞ্চল বা শহরের ওপর নির্ভরশীল নয় বরং সারা দেশের লেখকদের সমান অধিকার দেওয়া হয় যেটা প্রসংশনীয়।
সম্প্রতি তারা ঢাকার বাইরের অঞ্চল বিশেষ করে বিভিন্ন জেলার সাহিত্যিকদের নিয়ে ‘প্রান্তছোঁয়া আকাশ’ নামে একটি বিশেষ আয়োজন করছেন- যেটাকে নির্দ্বিধায় একটি বাস্তধর্মী পদক্ষেপ বলা যায়। আমি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। এই আয়োজনের ফলে দেশের দূরদূরান্তের লেখকদের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমি এ পত্রিকার জনপ্রিয়তা, সমৃদ্ধি, সাফলতা ও উন্নতির কামনা করি।
লেখক : কবি, গল্পকার ও অনুবাদক